পাহাড়ের হলুদ বিখ্যাত

পাহাড়ের হলুদ বিখ্যাত

কাঁচা হলুদ সিদ্ধ করতে ড্রামে দেয়া হচ্ছে আগুন। অপর প্রান্তে ফাল্গুনের আধো আধো মিষ্টি রোদে মাঠের মধ্যে শুকানোর অপেক্ষায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে হলুদ। এসব হলুদ শুকিয়ে শেষে বিশালাকার একটি ফলার মেশিনে দিয়ে হলুদকে রিফাইন বা তার উপরিঅংশ ছাড়ানো হয়। 

এরপর ফলার মেশিন থেকে হলুদ বের করে বিক্রির উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে প্রস্তুত করা হয়। এদিকে শুকনো হলুদের উচ্ছিষ্ট অংশ বস্তায় ভরে কিনে নিয়ে যায় মশার কয়েল উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে। পাহাড়ি হলুদ চাষে রাসায়নিক সারের ব্যবহার একদমই নাই। তাই পুষ্টিগুণ স্বাদ ও কালার অক্ষুন্ন রাখতে সাহায্য করে। কিছু কিছু পাহাড়ি এলাকাতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয় হলুদ। সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ হয় বলে এ অঞ্চলের হলুদ খুবই সুস্বাস্থ্যকর। হলুদে ভরে উঠেছে স্থানীয় বাজারগুলোতে। সারা দেশে পার্বত্যাঞ্চলের হলুদের চাহিদা বেশি থাকায় ব্যবসায়ীরাও এখান থেকে হলুদ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবছর উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে উৎপাদিত হাজার হাজার মেট্রিক টন হলুদ যাচ্ছে সমতলে। চাহিদা বেশি থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা হলুদ নিতে আসছেন  পাহাড়ে। ৬ মণ কাঁচা হলুদে ১ মণ শুকনো হলুদ তৈরি হয়। স্থানীয় পাহাড়িরা হলুদ চাষ করে বেশি।পাহাড়ের মাটিতে হলুদ চাষে ব্যপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রান্তিক কৃষকেরা হলুদ চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছে। যার ফলে পার্বত্য অঞ্চলে দিন দিন হলুদের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *