সংগৃহিত
লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে তীব্র ব্যথা, ফোলাভাব, এবং জয়েন্টে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়, যা খেলাধুলা, দুর্ঘটনা বা পড়ে যাওয়ার মতো কারণে ঘটে থাকে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে বিশ্রাম, বরফ প্রয়োগ, শারীরিক থেরাপি, এবং কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা, যেমন বাতের সমস্যা হতে পারে।
কারণসমূহ
আকস্মিক মোচড় বা দিক পরিবর্তন:
খেলাধুলার সময় হঠাৎ দিক পরিবর্তন করলে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যেতে পারে।
আঘাত:
পড়ে যাওয়া বা কোনো দুর্ঘটনায় সরাসরি আঘাত লাগলে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যেতে পারে।
অতিরিক্ত প্রসারণ:
লিগামেন্ট তার ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি প্রসারিত হলে ছিঁড়ে যায়।
লক্ষণসমূহ
তীব্র ব্যথা ও ফোলা: আঘাতের পরপরই আক্রান্ত স্থানে তীব্র ব্যথা ও ফোলাভাব দেখা দেয়।
আঘাতের সময় শব্দ:
লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার সময় একটি শ্রবণযোগ্য ক্র্যাকিং শব্দ শোনা যেতে পারে।
জয়েন্টের অস্থিতিশীলতা:
জয়েন্ট নড়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি বা অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়, বিশেষ করে হাঁটার সময়।
দুর্বলতা: আক্রান্ত জয়েন্টের পেশী দুর্বল হয়ে পড়ে।
চিকিৎসা RICE পদ্ধতি:
বিশ্রাম, বরফ প্রয়োগ, চাপ (কম্প্রেশন), এবং উঁচু করে রাখা (এলিয়েশন) প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে কার্যকর।
শারীরিক থেরাপি:
ফিজিওথেরাপি বা ব্যায়ামের মাধ্যমে আক্রান্ত জয়েন্টের নমনীয়তা এবং শক্তি ফিরিয়ে আনা হয়।
অস্ত্রোপচার:
গুরুতর লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে, যেমন ACL (অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট) ছিঁড়ে গেলে, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ:
লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে জয়েন্টের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
