রাঙামাটিতে পর্যটনের নতুন সংযোজন হিসেবে গড়ে উঠছে আরএইচডি লেকভিউ গার্ডেন। রাঙামাটি শহরের ফিশারি সংযোগ সড়ক বাঁধের ওপর এই গার্ডেনে রয়েছে সবুজ সতেজ ঘাসের মঞ্চ, ঘাসের গ্যালারি ও চমৎকারভাবে বসার জায়গা। কাপ্তাই হ্রদ আর পাহাড়ি প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং মুগ্ধতা উপভোগ করার অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব এই গার্ডেন গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাঙামাটি সড়ক বিভাগ। এরই মধ্যে পর্যটক ও শহরবাসীর আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে এই লেকভিউ গার্ডেন। যদিও গার্ডেনের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। তার পরও সকাল-দুপুর-বিকাল সবসময়ই দর্শনার্থীদের দেখা মিলছে। মাসখানেকের মধ্যেই আরএইচডি লেকভিউ গার্ডেনের সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর রূপ পরিপূর্ণরূপে দেখা মিলবে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা। এই বাগানে ন্যূনতম ১০০ প্রজাতির উদ্ভিদের সমারোহ থাকছে। সব উদ্ভিদের নাম ও পরিচিতি লেখা থাকবে। জ্ঞানপিপাসু মানুষ ও শিক্ষার্থীরা এই বাগানে এসে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদও বৃক্ষরাজির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন এবং প্রকৃতির সঙ্গে কিছু সময় অতিবাহিত করার সুযোগ পাবেন। মর্নিংওয়ার্ক কিংবা জগিংয়ের জন্য থাকবে প্রস্থ লেইকসাইট ওয়াকওয়ে। হ্রদের পানিতে পড়ে কেউ যাতে দুর্ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য রাখা হবে নান্দনিক ডিজাইনের সেফটি রেলিংয়ের ব্যবস্থা। পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। ট্যুরিস্ট পুলিশের টহলের সুবিধার্থে পুলিশ বক্সের ব্যবস্থা করা হবে। সওজের নির্বাহী প্রকৌশল সবুজ চাকমা বলেন, স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল
রাঙামাটির লেকভিউ গার্ডেন বা লেকসিটি রাঙামাটি
