ঋতুপর্ণা চাকমা; যার নৈপুণ্যে বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে এশিয়া কাপের মঞ্চে। এর আগেও তার গোলে দ্বিতীয় বারের মত সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। তার হাতে উঠেছিল দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের ট্রফি। অথচ তার পরিবার ভাসছে অথৈ সাগরে। ঋতুর মা যে মরণব্যাধি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার ব্যয় বহনে হিমশিম খাচ্ছেন পরিবার। এই রত্নগর্ভাকে সুস্থ করে তুলতে সরকারের সহায়তা চাইলেন স্বজনরা।রাঙ্গামাটির মেয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা। বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে এশিয়া কাপে। অথচ সেই ঋতুপর্ণা ১৮ কোটি মানুষের মনে আনন্দ বিলিয়ে যাচ্ছেন পাহাড়সম কষ্ট বুকে নিয়ে। এই পাহাড়কন্যা শুধু মাঠেই নয়, লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের জন্যও। মা ভূজপতি চাকমা দেড় বছর ধরে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন ক্যান্সারে সাথে। কেমোথেরাপির প্রভাবে ঝরে পড়ছে মাথার চুল। সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষটি এখন বসে থাকেন মনমরা হয়ে। ঋতু পুরো দেশকে আনন্দে ভাসালেও তার পরিবারের ওপর বিষাদের কালো ছায়া। ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে স্বজনরা।ঋতুর মেজো বোন পুতুলি চাকমা বলেন, ‘মা খুবই অসুস্থ। তাই আমরা আমাদের সংসার রেখে মায়ের সাথে আছি। যন্ত্রণায় মা ঘুমাতে পারেন না।’নারী ফুটবল দলকে এগিয়ে নিতে অবদার রাখছে। আজ তার মা কিভাবে চিকিৎসা নেবেন সেজন্য আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে। আমি সরকারের কাছে আবেদন করছি যাতে আমাদের মাকে বাঁচাতে আমাদের পাশে দাড়ান। আর্থিক সহায়তা করুন যাতে মা আমাদের মাঝে থাকেন।’রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘ঋতুর মায়ের এমন অবস্থা সেটা সে আমাদের জানায়নি। গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। আমরা ঋতু ও তার পরিবার সাথে দ্রুতই যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। পাশাপশি সরকারে উচ্চ মহলকেও অবহিত করবো। যাতে অর্থভাবে চিকিৎসার কোন ত্রুটি না হয়।’
বাবা, মা, ৪ বোন আর ১ ভাই নিয়ে ছিল ঋতুপর্ণার পরিরার। যার মধ্যে ২০১৫ সালে লিভার ক্যানসারে বাবা বরজ বাঁশি চাকমা ও ২০২২ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান একমাত্র ভাই পার্বণ চাকমা।
ঋতুপর্ণা চাকমার মা যে মরণব্যাধি আক্রান্ত
