Acorus calamus

Acorus calamus

বৈজ্ঞানিক নাম: Acorus calamus

পরিবার: Araceae

Important synonyms: Acorus calamus var. vulnaris L., Acorus calamus var. verus L. Vernacular names: Boch, Gharbach, Swetbach (Bangla); Bos, Bos pada, Bospata, Komla boj, Langyoo (Chakma); Sweet flag (English); Langhi, Lang hing, Lang yee, Satalanghing (Marma); Bospada (Tongchonga); Laing gach, Langhi gach (Tripura).

কাণ্ড খাড়া, একপাশে খাঁজকাটা এবং বিপরীত দিকে শিরাযুক্ত। পাতা ৫৫-৮০টি, ১-২ সেমি, তরবারির মতো। বর্ণনা: এটি একটি বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ যা ৮০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। এর ১-২ সেমি চওড়া, বলিষ্ঠ, লতানো বা রৈখিক মূলকাণ্ড থাকে, যা শায়িত শাখার ডগায় গুচ্ছাকারে থাকে এবং মধ্যশিরা সুস্পষ্ট। পুষ্পবিন্যাস একটি পাতাসদৃশ বৃন্তের উপর থাকে, যা ২৫-৩০ সেমি লম্বা। এর সাথে ৩৫-৪০ সেমি লম্বা একটি পাতাসদৃশ স্প্যাথ থাকে, যা স্প্যাডিক্সকে আবৃত করে না। স্প্যাডিক্স ৫-৬.৫ সেমি লম্বা ও ১-১.৫ সেমি চওড়া, বোঁটাবিহীন, নলাকার, সামান্য বাঁকা এবং হালকা হলুদ রঙের। ফুল অসংখ্য, ঘনভাবে সজ্জিত, সাধারণত ত্রিখণ্ডিত, পুষ্পপুট ৩+৩, সরু-আয়তাকার, গর্ভকেশরের সমান লম্বা এবং এর ডগা খিলানাকৃতির। পুংকেশর ৬টি, পুংদণ্ড দীর্ঘায়িত, ১.২-২.৪ ± ০.৩-০.৫ মিমি, পরাগধানী ০.৫ মিমি, সরিষারঙা। ডিম্বাশয় পুষ্পপুটের সমান লম্বা, ১.৫-৩.৫ ± ০.৮-২.৩ মিমি, শঙ্কু আকৃতির ও স্পঞ্জসদৃশ শীর্ষসহ ষড়ভুজ-নলাকার, ২-৩ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, প্রতিটি প্রকোষ্ঠে ৭-১০টি ডিম্বক; গর্ভমুণ্ড প্রায় বোঁটাবিহীন, বিন্দুযুক্ত। ফল একটি বেরি জাতীয় উদ্ভিদ, যাতে কয়েকটি ঝুলন্ত বীজ থাকে। ফুল ও ফল ধরার সময়: এপ্রিল-আগস্ট। উঁচু অঞ্চলের জলাভূমিপূর্ণ ও খোলা জায়গায় জন্মায়।

বাংলাদেশের বাইরে বিতরণ: আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়া।

বাংলাদেশে বিস্তার: প্রজাতিটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে দেখা যায়।

ঔষধি ব্যবহার: এই উদ্ভিদটি অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি, হাঁপানি, কাশি, ভ্রূণরোগ, মৃগীরোগ, জ্বর, পেট ফাঁপা, পাকস্থলীর টিউমার, পাকস্থলীর আলসার, মাথাব্যথা, হিট স্ট্রোক, হাইপার অ্যাসিডিটি, লাইপোমা (টিউমার), কোমর ব্যথা, গলার পিণ্ড, ম্যানিয়া, নিউমোনিয়া, প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণ, পেট ব্যথা, টনসিলাইটিস এবং যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *